স্ত্রীকে ৫৫ হাজার ড্রেস উপহার স্বামীর

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:১২ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০১৯

স্ত্রীকে ভালবেসে একে একে ৫৫ হাজার ড্রেস উপহার দিয়েছেন এক ব্যক্তি। ৮৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম পল ব্রকম্যান।

ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যায়, মার্গট ও পল ব্রকম্যানের দাম্পত্য জীবনের ৫৬ বছর অতিবাহিত করেছেন। এই সুদীর্ঘ সময়ে পল ব্রকম্যান স্ত্রীকে উপহার দিয়েছেন ৫৫ হাজার ড্রেস।

ডেইলি সানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তরুণ বয়সে দেখা হয়েছিল মার্গটের সঙ্গে পলের। তখন দু’জনেই জার্মানির বাসিন্দা। এক নাচের আসরে মার্গটকে প্রথম দেখেন পল।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি মেল’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকেই নাচের প্রতি তুমুল আকর্ষণ ছিল পল ব্রকম্যানের। এবং সেই সব ডান্স-হলে মহিলাদের পরণের সুন্দর সুন্দর পোশাক তাকে মোহিত করত।

মার্গটের সঙ্গে আলাপের পরে তার জীবন অনেকটাই পালটে যায় বলে জানান পল। ৫০-এর দশকে মার্গটের পরিবার চলে আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। নিজের দেশ ছেড়ে পলও চলে আসেন মার্গটের পিছু পিছু। বর্তমানে ব্রকম্যান দম্পতি থাকেন লস এঞ্জেলেসে।

তবে স্ত্রীকে উপহার দেওয়া সব ড্রেস নতুন নয় বলে সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। এই বিশাল সম্ভারের মধ্যে বেশিরভাগ পোশাকই ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’।

পল জানান, বিয়ের এতগুলো বছর কেটে গেলেও, কখনই ভুলতে পারেননি তাদের প্রথম দেখা। মার্গটের মনে না থাকলেও, এখনও মনে আছে সেই সন্ধ্যায় কী পরেছিলেন মার্গট।

বিয়ের পরেও প্রতি সপ্তাহে ব্রকম্যান দম্পতি ‘বলরুম ডান্স’-এ অংশ নিতেন বলে জানান পল এবং প্রতি সপ্তাহে মার্গটের জন্য তিনি কিনে আনতেন একটি করে নতুন ড্রেস।

মার্গট জানান, এমনও হয়েছে একই দিনে মোট ৩০টি ড্রেস কিনে বাড়ি ফিরেছেন পল। এভাবেই ৫৫ হাজার ড্রেস জমা হয়।

তবে ২০১৪ সাল থেকে স্ত্রীকে নিয়মিত ড্রেস উপহার দেওয়ার অভ্যাস বদলে ফেলেন পল। কেননা তাদের ঘরে পোশাক রাখার মত আর জায়গা নেই।

এছাড়া ইতিমধ্যে ওই দম্পতি অনেক ড্রেস বিক্রি করতে শুরু করেছেন। বিক্রিও হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ড্রেস। তবে পল পছন্দের ২০০টি ড্রেস স্ত্রী জন্য রেখে দিবেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে পলের বয়স ৮৩ বছর, মার্গটের ৬১।

প্রিয় পাঠক, আপনিও হতে পারেন আওয়ার বাংলা অনলাইনের একজন অনলাইন প্রতিনিধি। লাইফস্টাইল বিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুনঃ [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :