ভূমির রাজস্ব যায় কই

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:৪৭ এএম, ১৯ জানুয়ারি ২০১৯

ভূমি খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্বের একটি বড় অংশ সরকারি কোষাগারে জমা হয় না। তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে, ভূমির রাজস্ব যায় কই? অনুসন্ধানে সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে। জানা গেছে, এক শ্রেণির অসাধু ভূমি কর্মকর্তার পকেটেই যাচ্ছে এই অর্থ। মাঠপর্যায়ে ভূমি অফিসে জালিয়াতির কারণে প্রতি বছর শত শত কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়ালে ভূমি অফিসের কার্যক্রম তদারকির বিধান থাকলেও তা করা হচ্ছে না। ফলে এই খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্ব আত্মসাতের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। তবে নতুন ভূমিমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন।

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুয়া চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ভূমি উন্নয়ন করসহ অন্যান্য খাতের রাজস্ব জমা দেওয়ার নামে আত্মসাৎ করা হচ্ছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) দপ্তরের নিরীক্ষায় সরকারের রাজস্ব লুটে খাওয়ার চিত্র বেরিয়ে এসেছে। তথ্যপ্রমাণসহ নিরীক্ষা প্রতিবেদন সংশ্নিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে নিয়মিত জমা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদনে আত্মসাৎকৃত অর্থ আদায় ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হলেও রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। প্রতিবেদনগুলো ফেলে রাখা হয় বছরের পর বছর। একপর্যায়ে সেগুলো তামাদি হয়ে যায়।

মন্ত্রণালয়ের হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) দপ্তরের প্রধান মশিউর রহমান আওয়ার বাংলাকে বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল অনুযায়ী উপজেলা, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব রয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি), সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কানুনগোর ওপর। নিয়ম অনুযায়ী তারা প্রতি মাসেই সরেজমিন ভূমি অফিসের কার্যক্রম খতিয়ে দেখবেন। প্রকৃতপক্ষে সে কাজটি হচ্ছে না। প্রতি মাসে জেলা প্রশাসকের কাছে ভূমি অফিস-সংক্রান্ত প্রতিবেদন পেশ করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আত্মসাৎ বন্ধে তদারকি জোরদার করতে হবে।

নতুন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ৮ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ে প্রথম কর্মদিবসেই ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দেন। তার এ ঘোষণার বাস্তবায়ন চায় সাধারণ মানুষ। ভূমিমন্ত্রী আওয়ার বাংলাকে বলেছেন, ভূমি খাতে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি, আত্মসাৎ বন্ধে দেশের সব ভূমি অফিসকে অটোমেশনের আওতায় আনা হবে। এতে করে মন্ত্রণালয়ে বসেই জানা যাবে কত তারিখে, কোন খাতে, কত টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে, আর একই দিনে সরকারি কোষাগারে কত টাকা জমা হয়েছে। এর ফলে রাজস্ব আত্মসাতের কোনো সুযোগ থাকবে না। যদি কেউ এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত হয়, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাসহ শাস্তি দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ভূমি অফিসে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

রেজিস্টার ও কেস বইয়ে জালিয়াতি: ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভূমি অফিসের রেজিস্টার ও কেস বইয়ে টাকার হিসাব ওঠানোর ক্ষেত্রেও জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে আদায় করা ভূমি উন্নয়ন করের টাকার হিসাব প্রথমে তিন নম্বর রেজিস্টারে ওঠানো হয়। পরে ওই টাকা কেস বইয়ে জমা দেখানো হয়।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিরীক্ষার সময় দেখা গেছে, রেজিস্টারে চার লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেখিয়ে কেস বইয়ে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেখানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আত্মসাৎ করা হয়েছে চার লাখ টাকা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিন নম্বর রেজিস্টারে প্রতিদিনের জমা হওয়া টাকা যোগ করার ক্ষেত্রে মোট টাকায় কম দেখানো হয়। একটি হিসাবের ক্ষেত্রে দেখা যায়, যেখানে মোট টাকা আট লাখ ৫০ হাজার ৪৩২, সেখানে লেখা হয়েছে ছয় লাখ ৫০ হাজার ৪৩২ টাকা। এই পর্যায়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে দুই লাখ টাকা। পরে তিন নম্বর রেজিস্টারে জমার মোট হিসাব কেস বইয়ে ওঠানো হয়।

নিয়ম অনুযায়ী চালান হয় না: আদায় করা ভূমি উন্নয়ন করের প্রতিদিনের টাকা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করার বিধান থাকলেও তা হচ্ছে না। ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিরীক্ষায় দেখা যায়, ১৫-২০ দিন পর পর কেস বইয়ে জমা টাকার হিসাব করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়। এ ক্ষেত্রে ১৫-২০ দিনের টাকা যোগ করে মোট হিসাবে কম দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। জানা গেছে, আদায় হওয়া টাকা তিন নম্বর রেজিস্টার থেকে কেস বইয়ে ওঠানোর পর সরকারের সংশ্নিষ্ট খাতের কোষাগারে ব্যাংকের চালানের মাধ্যমে জমা করতে হয়। চালান পাঠানোর পর কেস বইয়ে প্রতিটি চালান নম্বর, টাকার পরিমাণ, তারিখ, ব্যাংকের নামসহ অন্যান্য তথ্য লিপিবদ্ধ করতে হয়।

সূত্র জানায়, ভূমি উন্নয়ন কর আদায় থেকে চালান পর্যন্ত তিনটি স্তরে আত্মসাৎ করা হয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিরীক্ষায় উঠে এসেছে ওই জালিয়াতির চিত্র।

নামজারি ফি আদায় হয় না :প্রতিটি নামজারির ক্ষেত্রে এক হাজার ১৫০ টাকা হারে ফি আদায় করার নিয়ম থাকলেও সহকারী কমিশনার-ভূমি (এসিল্যান্ড) অফিস থেকে এই ফি আদায় করা হয় না বলেই চলে। এক নিরীক্ষায় এই তথ্য পাওয়া গেছে। জমি ক্রেতার পক্ষে নামজারি করে ফি আদায়ের বিধান রয়েছে। সংশ্নিষ্ট একটি সূত্র জানায়, অনেক ঘোরাঘুরি ও খড়কুটা পুড়িয়ে নামজারি-সংক্রান্ত খতিয়ান পাওয়ার পর জমির ক্রেতা খুশি হয়ে এসিল্যান্ড ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে সন্তোষজনক সেলামি দেওয়ার পর নামজারি ফি আদায়ের তারা কথা ভুলে যান। এতে সরকার এই খাতের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক নিরীক্ষায় পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলায় নামজারি ফির পাঁচ লাখ ১২ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, হিসাব নিয়ন্ত্রকের (রাজস্ব) দপ্তরের নিরীক্ষকরা সারাদেশের ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিয়মিত নিরীক্ষা করেন। তারা ভূমি উন্নয়ন কর, ইজারা, নামজারি ফি, সার্টিফিকেট কেসের অনাদায়, কোর্ট ফি, ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন, আবাসিক-বাণিজ্যিক ও শিল্পাঞ্চলের খাজনা, নদীভাঙনে ভূমির প্রকৃত অবস্থা, নতুন চরাঞ্চলের রাজস্ব আদায়সহ অন্যান্য হিসাব নিরীক্ষা করেন।

জেলা প্রশাসকরা ব্যবস্থা নেন না: সূত্র জানায়, নিরীক্ষকরা রাজস্ব তছরুপের নিরীক্ষা প্রতিবেদন সংশ্নিষ্ট জেলা প্রশাসক, এডিসি (রাজস্ব) ও ভূমি মন্ত্রণালয়ে জমা দেন। ওইসব প্রতিবেদন হাতে পেয়েও জেলা প্রশাসকরা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন না। হঠাৎ কখনও কারও বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে অভিযুক্ত আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত দিতে রাজি হন। টাকা আদায় হওয়ার পর সংশ্নিষ্ট ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মন্ত্রণালয়ের হিসাব নিয়ন্ত্রকের (রাজস্ব) দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত দিলেই অপরাধী ছাড় পেতে পারে না। টাকা আদায়ের সঙ্গে তার অপরাধেরও বিচার হওয়া জরুরি। অনেক সময় এসিল্যান্ডদের বিরুদ্ধেও সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। সারাদেশের এসিল্যান্ডরা ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন। এ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় থেকেও সংশ্নিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

তেলিহাটি ভূমি অফিসে অর্থ আত্মসাৎ: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা আবদুল লতিফ ও সহিদুল হক ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভুয়া চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেখিয়ে মোট ২৬ লাখ ২৩ হাজার ৬৫৮ টাকা আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে আবদুল লতিফ ২৪ লাখ ৬৩ হাজার ২৪৬ টাকা ও সহিদুল হক এক লাখ ৬০ হাজার ৪১২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। গাজীপুরে নিযুক্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ের হিসাব তত্ত্বাবধায়ক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের নিরীক্ষায় অর্থ আত্মসাতের এ প্রমাণ মিলেছে।

টোক নয়নবাজার ভূমি অফিসে ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ: চালান জালিয়াতির মাধ্যমে গাজীপুরের কাপাসিয়ার টোক নয়নবাজার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছর পর্যন্ত চালান জালিয়াতি করে ভূমি উন্নয়ন করের ছয় লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিরীক্ষায় এই অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, হেলাল উদ্দিন ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪০, ৫৭, ৫৮ ও ৭২ নম্বর চালানে এক লাখ ৯৫ হাজার ৬৭ টাকা জমা দিয়েছেন। পরে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে নতুন চালানে অর্থ জমা না করে জালিয়াতির মাধ্যমে আগের ওই চারটি চালান জমা দেখিয়ে এক লাখ ৯৫ হাজার ৬৭ টাকা আত্মসাৎ করেন। একই কায়দায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দুই লাখ ৪১ হাজার ৮০ টাকা, এক লাখ ৯৫ হাজার ৬৭ টাকা ও ৪৬ হাজার ১৩ টাকা, তিন লাখ ৫৮ হাজার ৯৩২ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

টেম্পারিং করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন: সূত্র জানায়, একইভাবে ঢাকাসহ সারাদেশের সাব-রেজিস্ট্রারের অফিস থেকে জমির প্রকৃত শ্রেণি টেম্পারিং করে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের জমির শ্রেণি উল্লেখ করে দলিল তৈরি করে প্রতি বছর সরকারকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে যেসব দলিলে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হয়েছে, এসিল্যান্ড বেআইনিভাবে ওই সব দলিল অনুযায়ী নামজারি করছেন।

২০১৩-১৪ অর্থবছরে সারাদেশে পৌনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: হিসাব নিয়ন্ত্রকের (রাজস্ব) দপ্তরের এক নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে সারাদেশে ভূমি খাত থেকে পৌনে ছয় কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ করা হয়। উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের হিসাব নিরীক্ষা করে ওই তথ্য পাওয়া গেছে। আদায় হওয়া খাজনা, ইজারাসহ অন্যান্য খাতের রাজস্ব সরকারের কোষাগারে জমা না দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন সংশ্নিষ্ট ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ওই অর্থবছরে আত্মসাৎ করা হয় মোট পাঁচ কোটি ৭৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ২০১৩-১৪ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে নওগাঁ, নড়াইল, ময়মনসিংহ, বরিশাল, নরসিংদী, গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলায় রাজস্ব আত্মসাতের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির নুরুল ইসলাম হাটবাজারের ইজারা ও নামজারির ফি বাবদ আদায় হওয়া ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৪৭৭ টাকা সরকারি তহবিলে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। জেলার কালিয়া উপজেলার সালসেলাবাদ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মণ্ডল আত্মসাৎ করেছেন এক লাখ ৩০ হাজার টাকা।

নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভিপি (ভেস্টেড প্রোপার্টি) শাখার আদায় সহকারী আবু রায়হান মো. আবদুল মজিদ ১১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৬৩ টাকা, ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় অর্পিত সম্পত্তি ইজারা বাবদ আদায় হওয়া তিন লাখ ৬৫ হাজার ৪৪৮ টাকা, গাজীপুরের কাশিমপুর ভূমি অফিসের সাবেক সহকারী কর্মকর্তা বাবুল মিয়া ভূমি উন্নয়ন করের দুই লাখ ৮৩ হাজার টাকা, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি ও জমাখারিজ মোকদ্দমা খাতের এক লাখ ২২ হাজার ৭৪৫ টাকা ও জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ভূমি অফিসে ৩৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

প্রিয় পাঠক, আপনিও হতে পারেন আওয়ার বাংলা অনলাইনের একজন সক্রিয় অনলাইন প্রতিনিধি। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা, অপরাধ, সংবাদ নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুনঃ [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :