ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমপাতার গুরুত্ব

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:৩০ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০১৮

বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস অতি পরিচিত রোগ। সবার মুখে কমবেশি ডায়াবেটিস রোগের কথা শোনা যায়।বংশগত কারণ ও অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস্ত ওই রোগের অন্যতম কারণ। তবে রুটিন মেনে চলছে এই ডায়াবেটিস রোগী শারীরিকভাবে ভালো থাকে।

ডায়াবেটিস কি?

স্বাভাবিকের চেয়ে রক্তে বেশি শর্করা বা সুগার থাকলে তাকে বলা হয় ডায়াবেটিস মেলাইটাস বা সংক্ষেপে ডায়াবেটিস। বাংলায় এই রোগকেই মধুমেহ বলা হয়।

তবে ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিরাময় অযোগ্য হলেও একে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করতে পারেন আমপাতা।

ল্যানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রিনোলজি নামক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, বিশ্বজুড়ে বর্তমানে ৪০ কোটি ৬০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ২০৩০ সালে এই সংখ্যাটি ৫১ কোটি ১০ লাখে পৌঁছাবে। রোগটি থেকে মুক্তি পেতে চীনের প্রাচীন এক চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই।

কয়েক শতাব্দী ধরে ডায়াবেটিস ও অ্যাজমা রোগের চিকিৎসায় আমপাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই সবুজ পাতায় এমন কিছু ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে।

আমপাতা যেভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করবে:

ইনসুলিন উৎপাদন ও গ্লুকোজ প্রবাহ

আমপাতা শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন ও গ্লুকোজ প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রক্তে সুগারের পরিমাণ স্থিতিশীল রাখে। আম পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্যাকটিন, ভিটামিন-সি ও ফাইবার, যা ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

ওজন কমায়

যাদের ঘন ঘন প্রস্রাব বন্ধ,ওজন কমাতে ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমপাতা খুবই কার্যকর। আমপাতায় রয়েছে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা আপনার শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেবে। এলার্জি প্রতিরোধেও এটা সমান কার্যকর।

আমপাতা যেভাবে খাবেন

সাধারণভাবে ১০ থেকে ১৫টি সতেজ আমপাতা নিয়ে পরিষ্কার পানিতে সেদ্ধ করুন। সারারাত পাতাগুলো পানিতে রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে আমপাতার পানি পান করুন।

এভাবে আমপাতা খেতে পারেন।ভালো ফল পাবেন বলে চিকিৎসকদের বিশ্বাস।

আপনার মতামত লিখুন :