আস্থা ভোটে টিকে গেলেন থেরেসা মে

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:০৭ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

অস্বস্তি-স্বস্তি নিয়েই কাটছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র দিন। মাত্র একদিন আগে ব্রেক্সিট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চুক্তির ওপর পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটাভুটিতে রীতিমত ভরাডুবি হয়েছিল তার। এর ঠিক একদিন পর ফের ভোটে টিকে গেলেন থেরেসা মে।

যুক্তরাজ্যের সংসদের বিরোধী দলের প্রস্তাবিত অনাস্থা ভোটে ৩২৫ ভোট পেয়ে সরকারে টিকে থাকছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। ৬৫০ ভোটের মধ্যে ৩০৬টি ভোট পড়েছে মে’র বিপক্ষে।

বুধবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় (সেখানকার সময়ানুযায়ী) দেশটির পার্লামেন্টে বিরোধী দলগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী মে’র বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের আয়োজন করে। খবর বিবিসি’র।

যেখানে ৩২৫ ভোট পেয়ে সরকারে বহাল থাকছেন থেরেসা মে। অথচ মাত্র ২৪ ঘণ্টা পূর্বের ব্রেক্সিট চুক্তির ভোটাভুটিতে ২৩০ ভোটের ব্যবধানে হারেন তিনি। এরপর দেশটির সরকার বিষয়ে ও ব্রেক্সিট চুক্তি অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। মে’র হাতে সময়ও ছিল মাত্র তিনদিন। যা করার এই তিনদিনের মধ্যেই করতে হবে।

তবে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন মে’র বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব দিলে সেখানে সমর্থন দেয় অন্য বিরোধী দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটস, প্লাইড কামরি, গ্রিন পার্টি ও স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি।

এর আগে, ব্রেক্সিট চুক্তির ভোটাভুটিতে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের ১১৮ জন পার্লামেন্ট সদস্য মে’র বিপক্ষে ভোট দিলেও আস্থা ভোটে তার দলের সবকটি ভোটই তার পক্ষে গেছে।

আস্থা ভোটের টিকে যাওয়ার পর থেরেসা মে জানান, জনগণের রায় বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে যাবেন। ব্রেক্সিট নিয়ে চলমান সমস্যা নিরসনেও তিনি বিরোধী দলের নেতাদের সাথে বৈঠক করবেন।

তবে বিরোধী দলের নেতা জেরেমি করবিন জানান, সরকারে সাথে যেকোনো ‘পজিটিভ’ বৈঠকে বসতে তিনি রাজি আছেন। কিন্তু ব্রেক্সিট নিয়ে থেরেসা মে যে চুক্তি সম্পন্ন করার পথে রয়েছেন বিরোধী দলের এই নেতা সেটা নাকচ করে দেন।

এদিকে আগামী ২৯ মার্চ থেরেসা মে’র ব্রেক্সিট চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে টিকে যাওয়ার পর তাকে এখন ব্রেক্সিট চুক্তিতে দেশটির আইনপ্রণেতাদের একীভূত করতে হবে। অন্যথায় ২৯ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে দেশটির সকল সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে নতুন সংকটে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :