খুসখুসে কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:১৪ এএম, ০২ ডিসেম্বর ২০১৮

আসছে শীত। শীতে এলেই ঠাণ্ডাজ্বরে আক্রান্ত হন অনেকে। প্রথম প্রথম যখন শীত পড়তে শুরু করে তখন ঠাণ্ডাজ্বরে আক্রান্ত বেশি হন আমরা। এ সময় ঠাণ্ডা থেকে সুরক্ষায় কিছু হারবাল উপাদান সবচেয়ে বেশি কাজ করে। এসব খেলে ঠাণ্ডা ভালো হয়ে যায়। ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

রাতে ও দিনে বারবার খুসখুসে কাশির যন্ত্রণায় আপনি অতিষ্ঠ। কাশতে কাশতে কখনও বমি হয়ে যাচ্ছে, কখনও বা কাশির সঙ্গে গা-হাত-পায়ে ব্যথা।সাত-আট দিন ধরে কাশি হলে চিন্তা হয় বৈকি।

মনে রাখবেন কাশি দ্রুত সারাতে অ্যান্টিবায়োটিকসের মতো ওষুধ খাওয়ার সাধারণত প্রয়োজন পড়ে না।প্রচণ্ড কাশি সারতে গড়ে ১৮ দিন সময় লাগে

খুসখুসে কাশি কেন হয়?

একটানা কাশি খুব বিরক্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে। এর থেকে দ্রুত মুক্তির পথ খুঁজি আমরা। সাধারণত ঠাণ্ডা ও ফ্লুয়ের কারণে কাশি হয়। তবে অ্যালার্জি, অ্যাজমা, এসিড রিফ্লাক্স, শুষ্ক আবহাওয়া, ধূমপান, এমনকি কিছু ওষুধ সেবনের ফলেও এ সমস্যা তৈরি হতে পারে।

আসুন জেনে নেই খুসখুসে কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে।

মধু ব্যবহার করুন

মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং গলাব্যথা কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, মধু কখনো কখনো কাশিরোধী ওষুধগুলোর চেয়েও ভালো কাজ করে। মধু শ্লেষ্মা কমাতে সাহায্য করে।কাশি কমাতে এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।

শক্ত ক্যান্ডি খেতে পারেন

এক পিস ক্যান্ডি খেয়ে দেখতে পারেন। ক্যান্ডি শক্ত কফ নরম করে দিতে সাহায্য করে এবং কাশি কমায়।

হলুদ

কাশি নিয়ন্ত্রণে হলুদ রীতিমতো ঐতিহাসিক ঘরোয়া উপাদান! এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া এবং এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি দ্রুত কাশি কমাতে সাহায্য করে।

আদা ও লেবুর শরবত

কাশি কমাতে লেবুর শরবতের মধ্যে আদা কুচি মিশিয়ে খেতে পারেন। আদা শ্লেষ্মা দূর করতে সাহায্য করে। এর মধ্যে এক চা চামচ মধুও মেশাতে পারেন।

গার্গল করা

গার্গল করলে গলাব্যথা কমে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে ১৫ মিনিট ধরে গার্গল করুন। এভাবে বিরতি দিয়ে কয়েকবার করুন। এটি কাশি কমাতে বেশ কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি।

আপনার মতামত লিখুন :