খালেদাকে মুক্ত করতে আন্দোলনের হুমকি বিএনপির

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:২৬ পিএম, ০৬ মার্চ ২০১৯

কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে নামতে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চায় বিএনপি। দলকে শক্তিশালী করে রাজপথে সরকার বিরোধী আন্দোলন গড়ে দলের চেয়ারপারসনকে মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে দলের শীর্ষ নেতাকর্মীরা।

বুধবার (৬ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসনের মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিএনপি।

মানববন্ধনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কারাবন্দি দলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি সংগঠন শক্তিশালী করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গরে তুলতে হবে।

এসময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে অসুস্থ। অবৈধ দখলদারি সরকার বেআইনিভাবে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে কারাগারে রেখেছে। যেসব মিথ্যা মামলায় তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে এই ধরণের মামলায় অন্যরা সবাই জামিন পেয়েছেন। তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বন্দি রাখা হয়েছে। এই একটাই কারণ।’

মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মুক্তির আগ পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়াকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে অসুস্থ। মুক্তির আগ পর্যন্ত তার পছন্দ অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে হবে।’

দলীয় প্রধানের মুক্তির জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নেতাকর্মীদের আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কারণে সরকার খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধ্য হবে।

মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ খালেদা জিয়াকে মুক্তির জন্য রাজপথে আন্দোলন নামার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা আইনিভাবে অনেক লড়াই করেছি, কিন্তু তাকে মুক্ত করতে পারি নাই। সরকারের প্রতিহিংসার কারণে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তিনি জামিন পাচ্ছেন না।

মওদুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি আসবে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে। আন্দোলন ছাড়া তার মুক্তির সম্ভাবনা নেই। রাজপথে যদি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারি, আমরা যদি রাজপথে সজাগ থাকি। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি তাহলে ১৫ কোটি মানুষের নেত্রীকে মুক্ত করা সম্ভব।’

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড.আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলমী, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোর্তাজুল করিম বাদরু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন প্রমুখ।

প্রিয় পাঠক, আপনিও হতে পারেন আওয়ার বাংলা অনলাইনের একজন সক্রিয় অনলাইন প্রতিনিধি। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা, অপরাধ, সংবাদ নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুনঃ [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :