কি মার্কা পাবেন, জানানো হবে ৯ ডিসেম্বর – ইসি সচিব

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:২৩ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮

কোন প্রার্থীকে কী প্রতীক দেওয়া হবে তা প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিনে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে জানাতে রাজনৈতিক দল বা জোটের প্রতি বলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে মেইল করেও বিষয়টি জানানো যাবে। অথবা কারো মাধ্যমে পাঠালেও চলবে। তবে যারা মেইলে পাঠাবেন তাদের চিঠির অনুলিপিও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দিতে হবে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে বুধবার (০৫ ডিসেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, অলরেডি বিভিন্ন রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে কে কোন দল থেকে নির্বাচন করছেন, সে তথ্য আছে। চূড়ান্তভাবে দলগুলো যদি মনোনয়নটি সেখানে পাঠিয়ে দেন এবং আমাদের অনুলিপি দেন, সেভাবেই রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ করবেন।

‘প্রার্থী যদি নিবন্ধিত দলের না হন, তাহলে প্রত্যাহারের বিষয় থাকে। এক্ষেত্রে প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য যে কেউ প্রত্যাহার করতে পারবেন।’

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, কোনো আসনে দুই বা ততোধিক প্রার্থী হলে পার্টি অফিস থেকে যদি চূড়ান্ত প্রার্থী কে তা জানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলেই হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে কমিশনকে অনুলিপি দিলেই হবে। কমিশনকে মূল কপি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। রিটার্নিং কর্মকর্তাকেও মেইল করে দিলেই হবে। কেননা, অলরেডি তার কাছে তো মনোনয়নন জমা আছেই।

‘কোনো আসনে ফাইনালি কিন্ত দুই বা ততোধিক বৈধ প্রার্থী থাকলে দলকে বলতে হবে ওই ব্যক্তি আমার প্রার্থী। বাকিগুলো প্রত্যাহার না করলেও প্রত্যাহার হয়ে যাবে।’

জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব পরিবর্তন হয়েছে। এক্ষেত্রে দলটির চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি কার স্বাক্ষরে দেওয়া হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন বলেন, বিষয়টি জানিয়েছেন উনারা। এখন উনাদের প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়ন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দিয়েছেন। নতুন মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গার স্বাক্ষরও আজকে পেয়েছি। কাজেই কোনো অসুবিধা নেই।

মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের পর বুধবার ছিল বাদ পড়া প্রার্থীদের আপিলের শেষ দিন। ৫৪৩টি আবেদন জমা পড়েছে।
বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত (৬ থেকে ৮ ডিসেম্বর) শুনানি হবে। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। আর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর।

এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা জানিয়েছেন নির্বাচনসংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ দিলে সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারীর বিচার হবে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আজ বুধবার নির্বাচন তদন্ত কমিটির (ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি) বিচারকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘যিনি আপনাদের কথা শুনবেন না পেনাল কোডের ১৯৩ ধারা মতে তাদের ৭ বছরের জেল হবে, যদি মিথ্যা তথ্য দেয় এবং আপনাদের আদেশ না মানে, পেনাল কোডের ২২৮ ধারা অনুসারে তাদের বিচার হবে। তার মানে হলো, কোড অব সিভিল প্রসিডিউরের ১৯০৮-এর সম্পূর্ণ শক্তি নিয়ে আপনারা মাঠে অবস্থান করবেন।’

আপনার মতামত লিখুন :