এয়ারপোর্টে দাঁড়াবার জায়গারও সংকট

  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:০৪ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালের দিকে অভ্যন্তরীণ রুটের প্রায় সব ফ্লাইট বিলম্বে ছেড়েছে। আর যাত্রা বিলম্বের কারণে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের ডোমেস্টিক টার্মিনালে দাঁড়াবার জায়গার সংকুলান হচ্ছে না।

ওয়েটিং হলে যাত্রীরা বসার যায়গা না পেয়ে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। যদিও ইদানীং প্রায় সময়েই ওয়েটিং হলে এভাবে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে দেশি-বিদেশি যাত্রীদের। সময়ের ব্যবধানে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট ও যাত্রী দুটাই বেড়েছে ধারণাতীতভাবে। কিন্তু সে তুলনায় বাড়েনি যাত্রীসেবার মান। বাড়েনি টার্মিনালের পরিসরও।

সকাল ৭ টা থেকে ৯টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন রুটে ১০টি ফ্লাইট শিডিউলে দেখা গেছে। দুপুর ১২ টা পর্যন্ত যোগ করলে এই পরিসংখ্যান দাঁড়ায় ২০-এ গিয়ে। গড়ে ১শ যাত্রী ধরলেও এ সময়ে প্রায় ২ হাজার যাত্রী সেবা নেওয়ার কথা। কিন্তু ওয়েটিং হলে সিটের সংখ্যা মাত্র ২৮৮ টি।

অর্থাৎ তিনটি ফ্লাইটের যাত্রী একসঙ্গে বসতে পারে। আর অন্যদের দাঁড়িয়ে সময় কাটাতে হয়। সাধারণত যাত্রীদের ৩০ মিনিট পূর্বে হাজির হতে হয়। এর সঙ্গে ঢাকার অস্বাভাবিক যানজটের কথা চিন্তা করে যাত্রীরা অনেক আগেই হাজির হন। এ কারণে এখানে যাত্রীজট এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

ওয়েটিং টার্মিনালের মতো ওয়াশ রুমেও এদিন লাইন দেখা গেছে। জেনারেল মাত্র একটি ওয়াশরুম, তাতে মাত্র তিনজন একসঙ্গে টয়লেট সারতে পারেন। আর ইউরিনাল রয়েছে তিনটি। অভ্যন্তরীণ রুটে টার্মিনাল সম্প্রসারণ সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যাত্রী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। স্কাইলাউঞ্জে চেয়ার না পেয়ে দাঁড়িয়ে নাস্তা সারতে দেখা গেছে তাকে।

প্রিয় পাঠক, আপনিও হতে পারেন আওয়ার বাংলা অনলাইনের একজন সক্রিয় অনলাইন প্রতিনিধি। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা, অপরাধ, সংবাদ নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুনঃ [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :